নেত্রকোনায় হত্যা মামলার আসামী কতৃক হত্যার হুমকি এবং পলাতক আসামিদেরকে গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন


মির্জা হৃদয় সাগর, নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় আব্দুল লতিফ হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে এসে বাদি ও বাদির পরিবারকে হত্যার হুমকি প্রদান এবং পলাতক আসামিদেরকে গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীর পরিবারবর্গ। শনিবার(০৫ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পৌর শহরের কুরপাড় উপজেলা মসজিদ মার্কেটে একটি ব্যক্তিগত চেম্বারে এ সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে শামীম জাহান মিন্টু। সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন, শামীম জাহানের চাচা চাচা আব্দুল লতিফকে ভাটপাড়া উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের পাহাড়পুর তালুকদার মোড়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে এবং পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাসমত উল্লাহ ও তার দলবল নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। সেই সাথে তাঁর ছোট চাচা আব্দুল কাশেমকেও গুরুতর যখম করে।
এঘটনায় ২০২৪ সালের ১৫ আগষ্ট আটপাড়া থানায় তিনি বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।মামলার পর থেকে পুলিশ প্রশাসন কোন আসামিকে এখন পর্যন্ত অ্যারেস্ট করতে পারেনি। মামলার ২ নং, ৫ নং ও ১৩ নং আসামীরা এখনো পলাতক আছেন। বাকি আসামিরা উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত হতে জামিনে আছেন । কিন্তু ৩ নং আসামি মোহাম্মদ এমদাদ ৪ নং আসামী মোঃ জিয়াউর রহমান গত ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ জেলা দায়রা জজ হাফিজুর রহমানের আদালতে হাজির হয়ে জামিনে মুক্তি পায়। এতে করে জনমনে নানান প্রশ্নদিত হচ্ছে সেই সাথে আইনের প্রক্রিয়া অনাস্থা সৃষ্টি হচ্ছে। ১ নং আসামী হত্যার হুকুমদাতা হাসমত উল্লাহ ৩০নং মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি একটি আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামি হয়েও চাকরিতে বহাল। হাসমত উল্লাহ ও তার সহযোগীদের কে, কে বা কারা সহযোগিতা করছে এটা খুঁজে বের করার জোর দাবি জানান।
আসামিরা জামিনে আসার পর থেকে এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছে এই মামলার বাদী শামীম জাহান মিঠু নিজে ও পরিবার আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব সবাইকে আবারো হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে আসামির জিয়াউর রহমান এমনটাই দাবি করেন সংবাদ সম্মেলনে শামীম জাহান মিন্টু। তিনি আরো উল্লেখ করেন, দোকানে প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছে তারা আরো দুই চারটা মার্ডার করে ফেলবে যার জন্য সে ও আমার পরিবার আতঙ্কের মধ্যে আছে প্রশাসনকে অনেকবার অনুরোধ করার পরও তারা পালাতক আসামিদের ধরার ব্যাপারে তৎপর হচ্ছে না। আসামিরা কোথাও বলছে যে তারা টাকার বিনিময়ে এই মামলা খেয়ে ফেলবে। মামলার এজারে ৫/৬ জন গুম থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন কাউকেই জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য কাউকে কিছু বলছে না। তিনি বারবার অনুরোধ করার পরও কোন প্রকার অগ্রগতি হচ্ছে না। আসামিরা ইতিপূর্বে আমাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হ্যারেজমেন্ট করেছে। ১০ নং আসামী মিনা আক্তার তার যুবতী মেয়েকে নিয়ে থানায় গিয়েছিল মিঠুর নামে ধর্ষণ মামলা করারও চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেন শামীম জাহান মিন্টু।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।