নেত্রকোনায় মোটরসাইকেলের চাপায় পথচারী নিহত


নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনায় মোটরসাইকেলের চাপায় মো: রফিকুল ইসলাম(৫৮) নামের এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৩ মার্চ) সাড়ে দশটায় এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো: কাজী শাহনেওয়াজ। এর আগে বুধবার রাত ১ টায় নেত্রকোনা পৌর শহরের নাগড়া এলাকার খন্দকার নিকেতনের সামনে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত রফিকুল ইসলাম ময়মনসিংহ সদরের চরপাড়া এলাকার আব্দুল সুবাহানের ছেলে। তবে জন্মসূত্রে তিনি নেত্রকোনা পৌর শহরের নাগড়া মতিবিড়ি এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। পেশায় তিনি একজন মুদি দোকানদার ছিলেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম নাগড়া ফুটওভার ব্রিজের পাশে মুদির দোকানে ব্যবসা করতেন।
প্রতিদিনের ন্যায় রাত সাড়ে বারোটায় দোকান বন্ধ করে নিজ বাসার দিকে আসছিলেন, তখন হঠাৎ করে থানা মোড় থেকে আসা একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল রফিকুল ইসলামকে পিছন দিক থেকে ধাক্কা দিলে তিনি রাস্তার পাশের একটি দেয়ালে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষত বিক্ষত হয়ে রক্তকরণ হতে থাকে। দুর্ঘটনার আওয়াজ শুনে রাস্তার পাশের স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শী ফরিদ হোসেন বাবু জানান, দুর্ঘটনার আওয়াজ শুনে আমি এবং আমার ভাই বাসা থেকে বের হয়ে রফিকুল কাকাকে রাস্তার পাশে পরে থাকতে দেখি। মোটরসাইকেল চালক মোটরসাইকেল রেকে পালিয়ে চলে যায়। তখন আমরা কয়েকজন মিলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে এম এস আরিফ জানান, মোটরসাইকেলের চাপায় দুটো পা ভেঙ্গে গিয়েছিল সারা শরীর ক্ষত বিক্ষত হয়েগিয়েছিল। আমরা থানায় কোনো অভিযোগ করিনি, তবে থানা থেকে মোটরসাইকেলটি আটক করে নিয়ে গিয়েছে। নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো: কাজী শাহনেওয়াজ জানান, রাতে দূর্ঘনাটি ঘটে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মোটরসাইকেলটি আটক করে নিয়ে এসেছে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় তাদের দাবি প্রেক্ষিতে লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।