শুক্রবার, ১৯শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

মসজিদের প্রকল্পের কাজ না করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি:
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে মসজিদের প্রকল্পের কাজ না করে সংশ্লিষ্ট দফতরের যোগসাজসে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ফুলদহ পূর্ব পাড়া জামে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

জানা গেছে,২০২৩ সালে সার্বজনীন সমাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ প্রকল্প (জিএসআইডি-২ প্রকল্প) আওতায়ধীন জনগনের জীবন মান উন্নয়ন স্বার্থে স্কীম বাস্তবায়নের জন্য ৭টি প্রকল্পের বিপরীতে ২১ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেয় সরকার। এর মধ্যে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ফুলদহ পূর্ব পাড়া জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজের জন্য ৩ লক্ষ সুপারিশ দেয় সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান এমপি। মের্সাস তনু এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ দেয় উপজেলা প্রকৌশলী। সংশিষ্ট দফতরের যোগসাজসে মসজিদের কাজ না করে মিথ্যা প্রত্যয়ণ দাখিল করে পুরো টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এ ঘটনায় মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

এ ছাড়াও উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের জয়নগর মধ্যেপাড়া মাষ্টারবাড়ী জামে মসজিদ উন্নয়ন এর নামে ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ থাকলেও প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন হয়নি বলে মসজিদ কমিটির সভাপতি সৈয়দুজ্জামান ও ইমাম মুফতি ইমরান অভিযোগ করেন।। বরাদ্দ না পেয়ে নিজেদের উদ্যোগে বাথরুম ও ওজুখানা নির্মাণ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবী জানান।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে আরো বলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান এমপি ভাটারা ইউনিয়নের ফুলদহ পূর্ব পাড়া জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজের জন্য ৩ লক্ষ টাকার বরাদ্ধ দেন। মসজিদের উন্নয়নের কাজ না করে পুরো টাকা তুলে আত্মসাত করেছে মের্সাস তনু এন্টারপ্রাইজের মালিক। মসজিদ কমিটিসহ গ্রামবাসী উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলেও এর কোন সু-ব্যবস্থা করা হয়নি। তারা অতিদ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন । উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে নাম ঠিকানা না থাকায় তনু এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটারের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

ঠিকাদারের সাথে যোগসাজসের কথা এড়িয়ে গিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম জানান, মসজিদের উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করে কাগজপত্র দেখালে বিল পরিশোধ করা হয়। তবে অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার কালের কন্ঠকে বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানে হয়েছে। তারা তদন্ত করছে। তদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো।

----- সংশ্লিষ্ট সংবাদ -----