সোমবার, ২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

ডিপ্লোমেটিক জোন: পুলিশ হত্যার তদন্ত শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনে এক পুলিশ সদস্য কী কারণে আরেক পুলিশ সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে, তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। শনিবার (৯ জুন’) দিবাগত ২ টা ৩০ মিনিটে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আইজিপি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। শনিবার রাত ১১ টা ৪৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনে অবস্থিত ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে পুলিশ কনস্টেবল কাউসার আলী দায়িত্বরত অপর পুলিশ কনস্টেবল মনিরুল ইসলামকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে হত্যা করে। হত্যার পর নিহত মনিরের লাশ সড়কে বেশ কিছুক্ষণ পড়েছিল।কাউসারকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আইজিপি বলেন, ফিলিস্তিনি দূতাবাসের সামনে আমাদের দুইজন কনস্টেবল ডিউটিরত ছিলেন। এদের মধ্যে কনস্টেবল কাউসার আলীর গুলিতে কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে মারা যান। এ ঘটনায় জাপান দূতাবাসের গাড়ি চালক সাজ্জাদ হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন এবং তিনি এখন ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সাজ্জাদ হোসেনের শরীরে ৩ রাউন্ড গুলি লাগে। আক্রমণকারী কনস্টেবলকে থানায় নেওয়া হয়েছে। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনার কারণ জানতে আমরা কনস্টেবল কাউসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো।জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করার চেষ্টা করছি। আক্রমণকারীকে আমরা ইতিমধ্যে আটক করেছি, ঘটনার প্রকৃত রহস্য জানাটা খুব কঠিন হবে না। দূতাবাস এলাকা খুবই সুরক্ষিত এলাকা, এই ধরনের ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলার দুর্বলতা প্রকাশ পায় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে আমাদের লোক ছিল, ঘটনা যে ঘটিয়েছে সেও আমাদের লোক। আসলে ঘটনাটা কি কারণে ঘটেছে সেটা আমরা জানার চেষ্টা করছি’। কাউসারকে কিভাবে আটক করা হয় জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, ঘটনার পর কাউসার তার অস্ত্রটা রেখে ঘটনাস্থলের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিল। তখন তাকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। জাপান দূতাবাসের গাড়ি চালক কিভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন জানতে চাইলে পুলিশ প্রধান বলেন, তিনি পথচারী হিসেবে যাচ্ছিলেন এ সময় গুলিবিদ্ধ হন। ডিপ্লোমেটিক এলাকায় একজন পুলিশ কনস্টেবলকে একদিনে ১৬ ঘণ্টা ডিউটি করতে হয়। এই ডিউটি করার কারণে অনেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছেন কিনা, বা কাউসার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সবগুলো বিষয় তদন্ত করব।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো।

----- সংশ্লিষ্ট সংবাদ -----